সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম ::
হাজতি নিখোঁজ: জেলার প্রত্যাহার, কারারক্ষী বরখাস্ত চলতি মাসেই একাধিক কালবৈশাখী এবং শিলাবৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা দেশের মহাসড়কগুলো নির্মাণে বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও তা টেকসই হচ্ছে না এনজিও ঋণের সুদ কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে এমআরএ কলাপাড়ায় চতুর্থ শ্রেনীর ছাত্রীকে ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগে শিক্ষক আটক কুয়াকাটার মিশ্রিপাড়ায় মন্দিরের জমি থেকে অবৈধ স্থাপণা অপসারণের দাবিতে মানব বন্ধন করোনায় আরও ছয়জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬৩৫ করোনায় পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের খাদ্য ঘাটতির আশঙ্কা রিক্রুটিং এজেন্সির দালালদেরকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হচ্ছে করোনাভাইরাস: এক দিনে ৭ মৃত্যু, ৬১৯ রোগী শনাক্ত
বিদেশী এয়ারলাইন্সের বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পেতে জামানত লাগবে ৫০ হাজার ডলার

বিদেশী এয়ারলাইন্সের বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পেতে জামানত লাগবে ৫০ হাজার ডলার

বি নিউজ : বিদেশী বেশ কয়েকটি এয়ারলাইন্স বাংলাদেশে নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনায় আগ্রহ দেখিয়েছে। ওই লক্ষ্যে বিদেশী এয়ারলাইন্সগুলো অনুমতি চেয়ে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) কাছে আবেদনও করেছে। তবে শিডিউল ফ্লাইট পরিচালনার আগে প্রতিটি এয়ারলাইন্সকেই জামানত হিসেবে জমা দিতে হবে ৫০ হাজার ডলার বা প্রায় ৪২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। বেসরকারি বিমান পরিচালনার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বেবিচক মূলত বিদেশী এয়ারলাইন্সগুলোর কাছ থেকে পরবর্তী সময়ে পাওনা বা বকেয়া আদায় নিশ্চিত করতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বেবিচকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় বিদেশী নতুন কোনো এয়ারলাইন্সের শিডিউল ফ্লাইট পরিচালনার আগে জামানত গ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। ইতিমধ্যে এয়ারলাইন্সসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে বিষয়টি চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে। বেবিচকের চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, নতুন কোনো বিদেশী এয়ারলাইন্স বাংলাদেশে শিডিউল ফ্লাইট পরিচালনা শুরুর আগ্রহ প্রকাশ করলে ফ্লাইটের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়ার আগে প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে জামানত (ফেরতযোগ্য ও সমন্বয়যোগ্য) নেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। জামানতের পরিমাণ হবে ৫০ হাজার ইউএস ডলারের সমপরিমাণ টাকা। ওই অর্থ তফসিলি ব্যাংকে এফডিআর হিসেবে রাখা হবে।
সূত্র জানায়, সম্পূর্ণ নতুন কোনো বিদেশী এয়ারলাইন্স সংস্থা বাংলাদেশের যে কোনো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনার আগে বেবিচকের কাছে জামানত দিতে হবে। একবার কোনো বিমানবন্দরের জন্য জামানত দিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করলে অন্য বিমানবন্দরে অপারেশনের জন্য দ্বিতীয়বার জামানতের প্রয়োজন হবে না। কোনো এয়ারলাইন্স সংস্থা অপারেশন বন্ধ করলে এবং কোনো বকেয়া থাকলে তা সমন্বয় করে জামানতের অবশিষ্ট অংশ ফেরত দেয়া হবে। তাছাড়া বিদেশী কোনো এয়ারলাইন্সের শিডিউল ফ্লাইট পরিচালনার আবেদন অনুমোদনের ৭ দিনের মধ্যে বেবিচকের চেয়ারম্যান বরাবর পে-অর্ডারের মাধ্যমে জামানতের অর্থ জমা করতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে ফ্লাইটের অনুমতি স্থগিত অথবা বাতিল করা হবে।
সূত্র আরো জানায়, ৬টি বিদেশী এয়ারলাইন্স সম্প্রতি বাংলাদেশে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি চেয়েছে। তার মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার শ্রীজয়া, কোরিয়ান এয়ার, ইরানের মাহান এয়ার, ইরাকের ফ্লাই বাগদাদ, সৌদি আরবের নাস এয়ার ও ভারতের ভিসতারা ঢাকায় ফ্লাইট পরিচালনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তাছাড়া প্রায় ৬ বছর স্থগিত থাকার পর পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসও বাংলাদেশের সঙ্গে ফ্লাইট পরিচালনার আগ্রহ দেখিয়েছে। আর প্রায় ১১ বছর বিরতির পর আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ ঢাকায় ফ্লাইট পরিচালনার আগ্রহের কথা জানিয়েছে। মূলত অনুকূল নীতি ও লাভের সম্ভাবনা থাকায় বিদেশী এয়ারলাইন্সগুলো বাংলাদেশে ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্য (ফ্লাইট স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড রেগুলেশনস) গ্রুপ ক্যাপ্টেন চৌধুরী এম জিয়াউল কবির জানান, ইতিমধ্যে ইন্দোনেশিয়া, ইরান, ইরাক, সৌদি আরব ও ভারতের একটি করে এয়ারলাইন্স বেবিচকের কাছে আবেদন করেছে। পাশাপাশি আরো কয়েকটি এয়ারলাইনস ফ্লাইট পরিচালনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বেবিচকের পক্ষ থেকে সংস্থাগুলোর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। সেগুলো পাওয়ার পর যাচাই-বাছাই করা হবে। পরে বেবিচক কর্মকর্তারা ওই দেশগুলোতেও যাবে এবং চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়ার আগে ফ্লাইটের সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে।

শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018-20
Design & Developed BY Md Taher