শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম ::
ভ্যাটের হিসাবপত্র ছাড়া ব্যবসা, ‘মি. বেকার’র ব্যাংক হিসাব তলব করোনায় আরও ২৪ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৬৯৬ সাংবাদিক রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তারে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নিন্দা মিল মালিকদের চাহিদা অনুসারে ভোগ্যপণ্য সরবরাহে ব্যর্থতায় পাইকারী বাজার অস্থির অর্ধেক কমিয়ে আনা হচ্ছে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগসীমা উৎসব মুখর পরিবেশে মহিপুর ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে- স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর জয় রানার বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি করোনায় আরও ২৪ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৫৪৫ নভেম্বরেই পাটকল শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ: পাটমন্ত্রী সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে দলীয় দখলবাজদের তালিকা তৈরি করছে
সাগর-রুনি হত্যা: ৭৫ বার পেছালো প্রতিবেদনের সময়

সাগর-রুনি হত্যা: ৭৫ বার পেছালো প্রতিবেদনের সময়

বি নিউজ : সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ ফের পিছিয়েছে। বুধবার এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) তদন্ত কর্মকর্তা। তাই ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী আগামী ২২ নভেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেন। এনিয়ে ৭৫ বার পেছালো প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ। গত ৩ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাইকোর্টে দাখিল করা অগ্রগতির প্রতিবেদনে বলেন, সাগর-রুনি হত্যাকান্ডে দু’জন অপরিচিত ব্যক্তি জড়িত। সাগরের হাতে বাঁধা চাদর এবং রুনির টি-শার্টে ওই দুই ব্যক্তির ডিএনএ থাকার প্রমাণ মিলেছে। অপরাধীদের শনাক্ত করতে ডিএনএ রিপোর্ট প্রস্তুতকারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দু’টি ল্যাব যথাক্রমে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফরেনসিক সার্ভিস এবং প্যারাবন স্ন্যাপশট ল্যাব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বর্তমানে যোগাযোগ রাখা হয়েছে। প্রতিষ্ঠান দু’টি ডিএনএ’র মাধ্যমে অপরাধীর ছবি বা অবয়ব প্রস্তুতের প্রচেষ্টায় কাজ করে যাচ্ছে। ২০১২ সালের ১১ ফেব্রয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি তাদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই বছরের ১২ ফেব্রæয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। প্রথমে মামলাটির তদন্ত করেন শেরেবাংলা নগর থানার একজন কর্মকর্তা। ১৬ ফেব্রæয়ারি মামলার তদন্ত ভার পড়ে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উত্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. রবিউল আলমের ওপর। দুই মাস পর হাইকোর্টের আদেশে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় র‌্যাবকে। সেই থেকে আট বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা সম্ভব হয়নি।

শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018-20
Design & Developed BY Md Taher