শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম ::
ভ্যাটের হিসাবপত্র ছাড়া ব্যবসা, ‘মি. বেকার’র ব্যাংক হিসাব তলব করোনায় আরও ২৪ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৬৯৬ সাংবাদিক রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তারে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নিন্দা মিল মালিকদের চাহিদা অনুসারে ভোগ্যপণ্য সরবরাহে ব্যর্থতায় পাইকারী বাজার অস্থির অর্ধেক কমিয়ে আনা হচ্ছে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগসীমা উৎসব মুখর পরিবেশে মহিপুর ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে- স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর জয় রানার বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি করোনায় আরও ২৪ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৫৪৫ নভেম্বরেই পাটকল শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ: পাটমন্ত্রী সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে দলীয় দখলবাজদের তালিকা তৈরি করছে
দীর্ঘদিন ধরেই জ্বালানি তেল বিপণন কোম্পানিগুলো ভ্যাট ফাঁকি দিচ্ছে

দীর্ঘদিন ধরেই জ্বালানি তেল বিপণন কোম্পানিগুলো ভ্যাট ফাঁকি দিচ্ছে

বি নিউজ : রাষ্ট্রায়ত্ত তিন জ্বালানি তেল বিপণন কোম্পানি দীর্ঘদিন ধরেই ভ্যাট ফাঁকি দিচ্ছে। ওই প্রতিষ্ঠানগুলো গত ৫ বছরে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) নিয়ন্ত্রিত ওই তিনটি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে পদ্মা অয়েল কোম্পানি, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড ও যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড। ভ্যাট ফাঁকির ঘটনায় চট্টগ্রাম কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট ইতোমধ্যে ওই তিন সংস্থার প্রতি শোকজ নোটিস জারি করেছে। তাছাড়া আরো দুটি প্রতিষ্ঠানে ভ্যাট ফাঁকির তথ্য উদ্ঘাটিত হয়েছে। ওসব প্রতিষ্ঠানকেও শোকজের প্রক্রিয়া চলছে। চট্টগ্রাম ভ্যাট কমিশনারেট সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বিগত ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েলের ভ্যাট ফাঁকির পরিমাণ ১ হাজার ৯৫২ কোটি ৮৫ লাখ ২৫১ টাকা, মেঘনা পেট্রোলিয়ামের ভ্যাট ফাঁকির পরিমাণ ৩১১ কোটি ৯৯ লাখ ৩১ হাজার ৯৯১ টাকা এবং যুমনা অয়েল কোম্পানি ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে ২৫৭ কোটি ৪৭ লাখ ৮৬ হাজার ২৬১ টাকা। গত ২৭ আগস্ট ওই তিন প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শাওর নোটিসে ভ্যাট ফাঁকির সচিত্র প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়েছে। তাতে উল্লেখ করা হয়- ২০১৫-২০১৯ সাল পর্যন্ত অর্থবছরের প্রতিষ্ঠানসমূহে যাবতীয় ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং কর মেয়াদের দলিলপত্র যাচাই করা হয়েছে। তাতে দেখা যায় মূসক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে।
সূত্র জানায়, পদ্মা অয়েলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবরে প্রেরিত কারণ দর্শাও নোটিসে বলা হয়, ওই প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আমদানি পর্যায়ে পার্থক্যজনিত অপরিশোধিত মূল্য সংযোজন কর (মূসক) ১ হাজার ৮৭৯ কোটি ৪১ লাখ ৬২ হাজার ৬৪ টাকা। স্থানীয় পর্যায়ে অপরিশোধিত ব্যবসায়িক মূসক ৩০ কোটি ৬৭ লাখ ২১ হাজার ৭২টাকা এবং অপরিশোধিত উৎসে মূসক বাবত ৪২ কোটি ৪৪ লাখ ২১৫ টাকাসহ মোট ১ হাজার ৯৫২ কোটি ৭২ লাখ ৮৫ হাজার ২৫১ টাকা আদায়ের আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে মূসক আইনে উক্ত পরিমাণ অর্থ আদায়ে দাবিনামা জারি করা হলো। অনুরূপভাবে পদ্মা অয়েল কর্তৃপক্ষকে তাদের প্রতিষ্ঠানে পণ্য আমদানি পর্যায়ে পার্থক্যজনিত অপরিশাধিত মূসক ২৭৫ কোটি ৪০ লাখ ৭৮ হাজার ১৩৫ টাকা এবং অপরিশোধিত উৎসে মূসক বাবত ৩১১ কোটি ৯৯ লাখ ৩১ হাজার ৯৯১ টাকা আদায়ে দাবিনামা জারি করা হয়। আর যমুনা অয়েল কোম্পানি কর ফাঁকির মোট পরিমাণ ২৯৭ কোটি ৪৭ লাখ ৮৬ হাজার ২৬১ টাকা। ওই কোম্পানিকে জারিকৃত পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের আমদানি পর্যায়ে পার্থক্যজনিত অপরিশোধিত মূসক ১৮২ কোটি ৯১ লাখ ৭৯ হাজার ৪৩৬ টাকা, স্থানীয় পর্যায়ে অপরিশোধিত ব্যবসায়িক মূসক ৩ কোটি ৭৯ লাখ ৩৬ হাজার ৯০৫ টাকা এবং অপরিশোধিত উৎসে মূসক বাবত ২৩ কোটি ৬৩ লাখ ২০ হাজার ২০৫ টাকা।

শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018-20
Design & Developed BY Md Taher