শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:১৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম ::
করোনায় যেন দুর্ভিক্ষের প্রভাব না পড়ে সে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে আ. লীগের কর্মসূচি ঘোষণা ৪ নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে অবৈধপথে ক্ষমতা দখলে ষড়যন্ত্রের গলি খুঁজছে বিএনপি -ওবায়দুল কাদের এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত ২ হাজার ৭৮৫ চিকিৎসক করোনায় আরও ২১ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩৮৩ বিদেশফেরত কর্মীরা নানা শর্তের কারণে পুনর্বাসন ঋণ পাচ্ছে না শিল্পপ্রতিষ্ঠান লাভে পরিচালিত হলেও শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে অর্থ জমা দিচ্ছে না মালিকরা বসুন্ধরা কোভিড হাসপাতালে চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ
থানায় নিয়ে পিটিয়ে হত্যা: এসআই জাহিদসহ পাঁচজনের রায় ৯ সেপ্টেম্বর

থানায় নিয়ে পিটিয়ে হত্যা: এসআই জাহিদসহ পাঁচজনের রায় ৯ সেপ্টেম্বর

বি নিউজ : থানায় নিয়ে জনি নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় পল্লবী থানার তৎকালীন পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুর রহমান জাহিদসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার জন্য ৯ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য এই দিন ধার্য করেন। এ মামলায় ২৪ জনের সাক্ষ্য নিয়েছেন আদালত। মামলার অন্য আসামিরা হলেন-পল্লবী থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রাশেদুল, এএসআই কামরুজ্জামান মিন্টু, সোর্স সুমন ও রাশেদ।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুর-১১ নম্বর সেক্টরে স্থানীয় সাদেকের ছেলের গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান চলাকালে পুলিশের সোর্স সুমন মেয়েদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন। এ সময় জনি ও তার ভাই সুমনকে চলে যেতে বলেন। সুমন চলে গেলেও পরদিন এসে আবার আগের মতো আচরণ করতে থাকেন। তখন জনি ও তার ভাই তাকে চলে যেতে বললে সুমন পু্লশিকে ফোন করে তাদের ধরে নিয়ে যান। তাদের নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকার লোকজন ধাওয়া দিলে পুলিশ গুলি ছোড়ে। পরে থানায় নিয়ে জনিকে নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে জনির অবস্থা খারাপ হলে ন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে অবস্থা আরও খারাপ হওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই ঘটনায় ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে নির্যাতন ও পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমানসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহত জনির ছোট ভাই ইমতিয়াজ হোসেন রকি।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- পল্লবী থানার সাবেক এসআই জাহিদুর রহমান জাহিদ, এসআই আবদুল বাতেন, এসআই রাশেদ, এসআই শোভন কুমার সাহা, কনস্টেবল নজরুল, সোর্স সুমন ও রাসেল। ২০১৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম মারুফ হোসেন পাঁচজনকে অভিযুক্ত এবং পাঁচজনকে অব্যাহতির সুপারিশ করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তদন্তকালে পুলিশের এএসআই রাশেদুল ও কামরুজ্জামান মিন্টুকে নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০১৬ সালের ১৭ এপ্রিল পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুর রহমান জাহিদ, এএসআই রাশেদুল, এএসআই কামরুজ্জামান মিন্টু, সোর্স সুমন ও রাশেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা।

শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018-20
Design & Developed BY Md Taher