মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০৫:২০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
২২ মার্চ পবিত্র শবে মেরাজ পিলখানা হত্যাকান্ডের শাহাদাত বার্ষিকী পালিত হবে আজ মৎস্য ও প্রানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মৎস্য অবতরন কেন্দ্র পরিদর্শন মুজিববর্ষে কুয়াকাটায় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট খেলায় বিজয়ীদের পুরুস্কার বিতরণ করলেন এমপি মুহিব সিঙ্গাপুরে করোনা আক্রান্ত এক বাংলাদেশির পরিবার পাচ্ছে ১০ হাজার ডলার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দুটি ধারা কেন অসাংবিধানিক নয়: হাইকোর্ট হত্যা নয়, আত্মহত্যাই করেছেন সালমান শাহ: পিবিআই দেশে ৭৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে করোনার উপস্থিতি পাওয়া যায়নি: আইইডিসিআর কুমিল্লায় ৪০ হাজার ইয়াবাসহ ২ নারী গ্রেফতার হজে যেতে এবার ৩টি প্যাকেজ
শিশুর জন্য কারনিটিন

শিশুর জন্য কারনিটিন

বি নিউজ স্বাস্থ্য: ফ্যাট বা চর্বি একটি শক্তি উৎপাদনকারী খাদ্য উপাদান। এই ফ্যাট বা চর্বি কতগুলো ফ্যাটি এসিডের সমন্বয়ে গঠিত। ফ্যাট এসিডগুলো লিভার (যকৃত) এবং শরীরের অন্যান্য কোষ বা কলার মাইটোকন্ড্রিয়ায় ভেঙে মূলত শক্তি উৎপাদন করে। কিন্তু লং চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড মাইটোকন্ড্রিয়ায় অনুপ্রবেশের জন্য কারনিটিন (বিটা হাইড্রক্সি-গামা-ট্রাই মিথাইন অ্যামোনিয়াম বিউটারেট) নামক একটি জৈব পদার্থ অত্যাবশ্যক। কারনিটিন শরীরে বিশেষ করে মাংসে প্রচুর পরিমাণ বিদ্যমান। মাইক্রোজোম ও মাইটোকন্ডিয়ার বহিঃপর্দায় লং চেইন ফ্যাট অ্যাসিড অ্যাসাইল কো-এ-তে সক্রিয় হয়। এই লং চেইন অ্যাসাইল কো-এ কারনিটিন ছাড়া মাইটোকন্ড্রিয়ায় প্রবেশ করতে পারে না। কারনিটিন অ্যাসাইন ট্রান্সফারেজ-১ নামক জারকরস কারনিটিনের অনুপ্রবেশ প্রক্রিয়াতে সাহায্য করে। ফলে এটা অ্যাসাইল কারনিটিন হিসেবে মাইক্রোকন্ড্রিয়ায় প্রবেশ করে বিটা অক্সিডেশনে যায়। ফ্যাটি অ্যাসিড ভাঙা বা জারন ক্রিয়ার জন্য যে কারনিটিন প্রয়োজন তা সাধারণত খাবার থেকে আসে। কিন্তু কোনো কৃত্রিম খাদ্যে তথ্য ফ্যাটি অ্যাসিড সংবলিত খাদ্যে প্রয়োজনীয় পরিমাণ কারনিটিন একই সঙ্গে না থাকলে সেই ফ্যাটি অ্যাসিড (ফ্যাট বা চর্বি) শরীরে তেমন কাজে আসে না। শিশুর জন্য মায়ের দুধের বিকল্প নেই। তবুও যেসব শিশু কোনো না কোনো কারণে মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত এবং পরে কৃত্রিম দুধ বা কৌটায় শিশুখাদ্য পান করে, তাদের (এক বছর বয়সের ওপর) সেই কৌটার দুধ বা শিশুখাদ্যে কারনিটিন সরবরাহ করা একান্তভাবে প্রয়োজন। বাজারে প্রচলিত কৌটার শিশুখাদ্যে পেডিয়াসিউর ছাড়া সাধারণত কারনিটিন থাকে না। কারনিটিনের অভাবে হৃৎপিন্ডের মাংসের অক্ষমতা, মাংসপেশির দুর্বলতা, অলস অলসভাব, খিঁচুনি, কর্মক্ষমতা হ্রাস, শিশুদের ধীরে দেহ বৃদ্ধি এবং বিলম্ব মানসিক বিকাশ ঘটে। যেসব কারণে কারনিটিনের অভাব ঘটার সম্ভাবনা থাকে, সেগুলো হচ্ছে- ফ্যাটি অ্যাসিড জারন ক্রিয়ার এটি, মাইটোকন্ড্রিয়াল মাইওপ্যাথি, ডায়ালাইসিস, পূর্ণতা প্রাপ্তির আগেই জন্ম নেয়া শিশু, কারনিটিন ছাড়া টিপিএন (এনএভিপি) প্রদান ইত্যাদি। সুতরাং এসব বিবেচনায় আনলে শরীরে কারনিটিনের প্রয়োজনীয়তা যে কত ব্যাপক তা সহজেই অনুমেয়।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2017 bnewsbd24.Com
Design & Developed BY Md Taher