শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯, ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন

দশমিনা টু রনগোপালদী হাই-ওয়ে ওয়ারিশ সড়কের বেওয়ারিশ হাল, প্রতি মুহুর্তই মৃত্যুর ফাঁদ “

দশমিনা টু রনগোপালদী হাই-ওয়ে ওয়ারিশ সড়কের বেওয়ারিশ হাল, প্রতি মুহুর্তই মৃত্যুর ফাঁদ “

মু. জিল্লুর রহমান জুয়েল, পটুয়াখালী। দশমিনা টু রনগোপালদী সড়কের কথা শুনলেই যেন আঁতকে ওঠেন পটুয়াখালী ৩ আসনের দুই উপজেলার লক্ষাধিক জনসাধারণ।

স্থানীয় প্রতিনিধির পাঠানো তথ্যে জানা যায়, দশমিনা টু রনগোপালদী ও গলাচিপা উপজেলা যাতায়াতেরর একমাত্র সড়কটিতে বড় বড় খানা-খন্দের সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন চলাচল ক্রমই ঝূঁকিপূর্ন হয়ে মৃত্যুর ফাঁদে পরিনত হয়ে পরেছে।

এছারাও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ঢাকা থেকে আসা বাস ষ্ট্যান্ডে যাতায়তরত যাত্রীরা। কিন্তু এরাস্তাটি সংস্কারের উদ্যোগ না থাকায় দূর্ভোগ লাঘব হচ্ছেনা এ এলাকার নাগরিকদের। দশমিনার বশার সিকদার বাড়ির সামনে থেকে শুরুকরে আরজবাগী বাজার, চৌমুহনী বাজার, আউলিয়াপুর বাজারের সামনে বিলের বাড়ি নামক স্থান গুলিরপুল বাজারসহ, সড়কের খানা-খন্দকের উপর দিয়ে অটো রিকশা, মোটর সাইকেল, বাই সাইকেল, রিকশা, নসিমন সহ হালকা যানবাহন চলাচলে দশমিনা উন্নয়নের চিত্র দেখছেন ভুক্তভোগী যাত্রীরা।

একাধিক পথচারীরা জানান, রনগোপালদী থেকে শুরু করে দশমিনা ওই পথটুকু পার হতে হয় এখন যুদ্ধ করে। প্রতিদিনই দুই একটি যানবাহন উল্টে গিয়ে ঘটছে দূর্ঘটনা । তরমুজ বাহি ট্রাক সহ ভারী যান চলাচলে সড়কের এখন এমন বেহাল দশা। দশমিনা ও রনগোপালদী সাধারন নাগরিকরা যাতাযাত সড়কে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনার শিকার হলেও মুখ খুলছেন না তারা। তবে এনিয়ে মুখ খুলতে শুরু করেছেন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা অসুস্থ্য রোগী ও ভুক্তভোগী স্বজনেরা এবং কিছু সংখক অটোবোরাক মটরবাইক ড্রাইভার সহ যাতায়াতরত ভুক্তভোগীরা।

এখানেই শেষ নয়, সড়কে জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে পথচারীরা, দশমিনা উপজেলার নলখোলা স্টেশন থেকে তিন কিলোমিটার সামনে এলেই রনগোপালদী পর্যন্ত মহাসড়কে জলাবদ্ধতার কারনে চরম দুর্ভোগে পরতে হচ্ছে সকলের ও অনুপযোগী হয়ে পরছে সড়কটি। প্রতিদিন সড়কটি দিয়ে ছোট বড় ভাড়ি যানবহন সহ স্কুল কলেজে ছাত্রছাত্রীরা চলাচল করলেও ভাঙ্গাচুরা সড়কটি মেরামত করার কোন উদ্যোগ নেই। একরকম জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলতে হচ্ছে প্রায় কয়েক হাজার জনসাধারণকে ।

এব্যাপারে রনগোপালদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ টি এম আসাদুল হক নাসির সিকদার বলেন দশমিনা বশাঁর সিকদার বাড়ির সামনে থেকে শুরু করে রনগোপালদী পর্যন্ত সড়কটি বেহালদশায় পরিণত হয়েছে তিনি আরো বলেন এ সড়কটি দিয়ে কষ্ট করে প্রতিদিন যাওয়া আসা করতে হয় স্কুল ,কলেজ ,মাদ্রাসা সকল ছাত্রছাত্রীদেরকে। এবং দশমিনা থেকে শুরু করে রনগোপালদী, উলানিয়া ,গলাচিপা পায়রা সমুদ্রবন্দর ও লেবুখালী সেনা নিবাস পর্যন্ত এটা একমাত্র পথ তাই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট দ্রুত সংস্কারএর দাবী ।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও প,প কর্মকর্তা ডাঃ গোলাম মস্তফা মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, প্রতিনিয়ত দূর্ভোগে পড়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা অসুস্থ্য নারী-পুরুষ , এবং তিনি আরো বলেন গর্ভবতী নারী, – শিশু ও বৃদ্ধরা।এ পথ দিয়ে হাসপাতাল যাওয়া আশা এখন অধিক ঝূঁকিপূর্ন । কিন্তু তারপরও নাগরিক দুর্ভোগ যেন পিছু ছাড়ছেনা দশমিনা উপজেলার জনসাধারণ এবং রনগোপালদীবাসী।

এবিষয়ে দশমিনা উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম মুঠোফোনে বলেন, প্রতিনিয়তই পন্য বোঝাই ট্রাক, পিকআপ ভ্যানসহ ভারী যানবাহন প্রতিনিয়ত চলাচল করায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দশমিনা ও রনগোপালদী এলাকা বাসী, এছারা মৌসুমে তরমুজ বাহিট্রাক চলাচলে গুরুত্বপূর্ন এ সড়কটি খানা খন্দে পরিনত হয়েছে বিষয়টি অস্বীকার করার কিছু নেই। তবে, নতুন সড়ক রাস্তায় নির্মানে নিম্নমানের কোন কাজ হয়েছে কিনা? যা অল্প ক’ মাসের মধ্যেই তা ব্যবারের অনুপযোগী হওয়ার বিষয়ে কোন স্বদউত্তর দেননি প্রকৌশলী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2017 bnewsbd24.Com
Design & Developed BY Md Taher