মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন

আজ ২৫ জুলাই (বৃহস্পতিবার) ২০১৯

আজ ২৫ জুলাই (বৃহস্পতিবার) ২০১৯

সৈয়দ আলী আহসানের মৃত্যু
জাতীয় অধ্যাপক, শিক্ষাবিদ, কবি, গবেষক, বুদ্ধিজীবী সৈয়দ আলী আহসানের আজ মৃত্যুদিন। তিনি ২০০২ সালের এই দিনে ৮২ বছর বয়সে বার্ধক্যজনিত কারণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় ব্যতিক্রমী প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে গেছেন সৈয়দ আলী আহসান। গবেষণা ও অনুবাদের ক্ষেত্রে তার দক্ষতা ও পা-িত্য ছিল ঈর্ষণীয়। দেশে তার মতো মেধাবী মানুষ খুব কমসংখ্যকই জন্মগ্রহণ করেছেন। অন্তিম মুহুর্ত পর্যন্ত তিনি তার কলম সচল রেখেছিলেন এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকা-ে যুক্ত ছিলেন। প্রায় সারাজীবন তিনি শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও দেশের মন্ত্রী, সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য, বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক এবং ইউনেস্কোর উপদেষ্টার মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ
দায়িত্ব পালন করেন। আট দশকের জীবনের প্রায় সম্পূর্ণ সময়টাই তিনি ছিলেন শিপ্লসাহিত্যের প্রতিনিবেদিত। অজস্্র মানুষের শ্রদ্ধা- ভক্তি-ভালবাসা নিয়ে তিনি এখন তার অন্তিম ইচ্ছা অনুযায়ী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চিরনিদ্রায় শায়িত রয়েছেন। ১৯২২ সালের ২৬ মার্চ মাগুরার আলোকদিয়া গ্রামে সৈয়দ আলী আহসানের জন্ম । ১৯৩৮ সালে কৃতিত্বের সঙ্গে ম্যাট্রিক পাস করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ শিক্ষা নিয়েছেন ইংরেজি সাহিত্যে । ১৯৪৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালেই ঢাকা ইসলামিক ইন্টারমিডিয়েট কলেজে শিক্ষকতা করেছেন। পরে ৪৭ সালে হুগলী ইসলামিক ইন্টারমিডিয়েট কলেজে ইংরেজির অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। অল ইন্ডিয়া রেডিওতে কাজ করেছেন। ৪৭-এ দেশ বিভাগের পর বদলী হন ঢাকা রেডিওতে। ৪৯ সালে আসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলার অধ্যাপক হিসেবে। ৫৪ তে চলে যান করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে। ১৯৬০ সালে বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক হিসেবে যোগ দেন। ৬৬ তে হন ইউনেস্কোর সেক্রেটারিয়েটের উপদেষ্টা । ৬৭ তে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান । ৭২-এ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি। ৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্যও ছিলেন তিনি । ৭৫ সালে আবার ভিসি হয়ে যান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। ৭৭ সালে মন্ত্রী মর্যাদায় সরকারের শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্ট হন। ৮৯ সালে হয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান। শেষ জীবনে ১৯৯৯ সালে যোগ দিয়েছিলেন দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে। স্বাধীনতা পদক, একুশে পদকসহ বিভিন্ন পদক ও পুরস্কার অর্জন করেছেন সৈয়দ আলী আহসান। তার কাব্যগ্রন্থ- অনেক আকাশ, একক সন্ধ্যায় বসন্ত, বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত, পদ্মাবতী বহুল আলোচিত। ইকবালের কবিতা সম্পাদনা, গল্প সংগ্রহ সম্পাদনা, গল্প সঞ্চয়ন প্রভৃতিও হয়েছে পাঠকনন্দিত। সৈয়দ আলী আহসানের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা দেড়শরও বেশি।

১৮১৪ সালের এই দিনে স্টিম লুকুমেটিভ বা বাস্পীয় রেল ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা চালানো হয়। বাষ্পীয় রেল ইঞ্জিন আবিস্কৃত হওয়ায় যোগাযোগ ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। বৃটিশ প্রকৌশলী জর্জ স্টিফেনসন লুকুমেটিভ আবিস্কার করেন। তাকে রেল লাইনের জনক বলা হয়।

১৮৩৪ সালের এই দিনে বৃটিশ সাহিত্যিক ও দার্শনিক স্যামুয়েল টেইলার কলেরিজ মৃত্যুবরণ করেন। ১৭৭২ সালে তার জন্ম হয়। তিনি সাহিত্য সমালোচনার ক্ষেত্রে বৃটেনে নতুন ধারার সূচনা করেন। তার লেখালেখি ও চিন্তা-চেতনায় জার্মান দার্শনিকদের প্রভাব ছিল সুস্পষ্ট। জার্মানি সফরকালে তিনি ঐ দেশের দার্শনিকদের মাধ্যমে প্রভাবিত হন এবং বৃটেনে ফিরে তিনি জার্মান দার্শনিক বিশেষ করে হেগেলের চিন্তা দর্শণ তুলে ধরতে শুরু করেন। কলেরিজ, দর্শন ও সাহিত্য সমালোচনার পাশাপাশি কবিতাও লিখতেন।

১৮৯৪ সালের এই দিনে, চীন ও জাপানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। জাপানি সেনারা প্রথমে চীন উপকূলে হামলা চালায়। জাপান এই হামলার মাধ্যমে কোরিয় উপদ্বীপ ও উত্তর চীনের বিশাল ভূখন্ড দখল করার পায়তারা করেছিল। জাপান উন্নত প্রযুক্তি ও যুদ্ধ সরঞ্জামের অধিকারী হবার কারণে ঐ যুদ্ধে বিজয় লাভ করতে সক্ষম হয়। যুদ্ধ শেষে উভয় পক্ষের মধ্যে শিমনভেস্কি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং এর মধ্য দিয়ে বাহ্যত কোরিয় উপদ্বীপ স্বাধীনতা লাভ করলেও বাস্তবে জাপানের কর্তৃত্বে রয়ে যায়।

অন্যদিকে, চীন বাধ্য হয়ে কয়েকটি দ্বীপের নিয়ন্ত্রণভার জাপানের কাছে ছেড়ে দেয়। চীন-জাপান যুদ্ধ, জাপান-রাশিয়া যুদ্ধের ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছিল। কারণ জাপান, চীনে হামলার সময় সেদেশে অবস্থিত রুশ ঘাঁটিগুলোতেও হামলা চালিয়েছিল।

১৯৩৮ সালের এই দিনে ফিলিস্তিনের জনাকীর্ণ বাজারে দুটি পৃথক বোমা বিস্ফোরণে ৬২ জন বেসামরিক ফিলিস্তিনী নিহত ও প্রায় এক’শ জন আহত হয়। ইহুদিবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো ঐ বোমা হামলার সাথে জড়িত ছিল। ফিলিস্তিনে ভয়-ভীতি ও আতংকের পরিবেশ সৃষ্টি করে ফিলিস্তিনীদেরকে নিজেদের ঘর-বাড়ী ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে উৎসাহিত করতে বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ইহুদিবাদীরা সে সময় এভাবেই ফিলিস্তিনবাসীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা দুর্বিসহ করে তুলেছিল। বর্ণবাদী ইসরাইলের ঐ সন্ত্রাসী চরিত্র এখনও অব্যাহত রয়েছে।

ফার্সি ১৩২৩ সালের এই দিনে ইরানের পাহলাবি রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা রেজা পাহলাবি বা রেজা খান তিন বছর নির্বাসিত জীবন কাটাবার পর দক্ষিণ আফ্রিকায় মৃত্যুবরণ করেন। ফার্সি ১২৫৭ সালে উত্তর ইরানের একটি গ্রামে তার জন্ম হয়। তিনি সাধারণ একজন সেনা কর্মকর্তা ছিলেন, এ অবস্থায় ফার্সি ১২৯৯ সালে বৃটিশ সরকার, ইরানে নিজেদের স্বার্থ সংরক্ষিত রাখতে রেযা খানকে ক্যু করার জন্য উস্কে দেয়। ক্যু করার পর সে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নেয় এবং পরে প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন হন। বৃটেনের সহায়তায় অবশেষে ফার্সি ১৩০৪ সালে তিনি কাজার রাজবংশকে উৎখাত করেন এবং স্বাধীনতাকামী আলেম ও রাজনীতিবিদদের বিরোধিতা সত্ত্বেও তিনি রাজ সিংহাসনে আরোহন করেন। এর পর তিনি ১৬ বছর ধরে তার স্বৈর শাসন অব্যাহত রাখেন এবং ইরানে ইসলামী সংস্কৃতির পরিবর্তে পাশ্চাত্য সংস্কৃতি চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন। এ কারণে ইরানের মুসলিম জনগণ রেযা খানের ঘোর বিরোধী ছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ শুরু হবার পর রেযা খান জার্মান স্বৈর শাসক হিটলারের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন। এ অবস্থায় মিত্র বাহিনী ইরানে প্রবেশ করে এবং ফার্সি ১৩২০ সালে রেযা শাহকে গ্রেফতার করে দক্ষিণ আফ্রিকার নিকটবর্তী মরিস দ্বীপে নির্বাসনে পাঠায়। সেখানেই তার মৃত্যু ঘটে।

১৯৭৯ সালের এই দিনে জার্মানির কান শহরে ফিলিস্তিনী সংগঠন আল সায়েকের তৎকালীন মহাসচিব যাহির মোহসেন, ইহুদিবাদী ইসরাইলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের অনুচরদের হাতে নিহত হন। ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যার পর পালিয়ে যায়। হত্যাকারীদের হদিস পাওয়া যায় নি বলে ফরাসি পুলিশ দাবি করেছে। ইসরাইলী গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এ পর্যন্ত বহু ফিলিস্তিনী নেতাকে গোপণে হত্যা করেছে। কিন্তু এরপরও মানবাধিকারের দাবিদার দেশগুলো এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ থেকে বিরত রয়েছে।

১৯৯৩ সালের এই দিনে দখলদার ইসরাইলী বাহিনী লেবাননে প্রচন্ড হামলা চালায়। ১৯৮২ সালের পর লেবাননে এটিই ছিল, ইহুদিবাদী ইসরাইলের সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা। দক্ষিণ লেবাননে মুসলমানদের প্রতিরোধ সংগ্রামের অজুহাতে এই হামলা চালানো হয়। দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলী হামলায় ১২৮ জন বেসামরিক ব্যক্তি শহীদ, ৫০০ জন আহত ও চার শতাধিক মানুষ শরণার্থীতে পরিণত হন। এছাড়াও দেশটির অর্থনীতি ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয় এবং কৃষি ক্ষেত্রেরও অপুরণীয় ক্ষতি হয়। এর পরও লেবাননের জনগণ দুই হাজার সালের মে মাসে ইহুদিবাদীরা পিছু হটার আগ পর্যন্ত তাদের প্রতিরোধ সংগ্রাম অব্যাহত রাখে।

২০০২ সালের এই দিনে বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক, ও জাতীয় অধ্যাপক সৈয়দ আলী আহসান ইন্তেকাল করেন। তিনি ১৯২২ সালের ২৬ মার্চ বর্তমান মাগুরা জেলার আলোকদিয়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৮৯ সালে জাতীয় অধ্যাপক এবং সে বছরই বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন। অধ্যাপক সৈয়দ আলী আহসান বহু মুল্যবান বই লিখে গেছেন।

স্পেনের অধিকার থেকে হল্যান্ডের ৭টি প্রদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা (১৫৮১)
ফরাসি কবি আঁন্দ্রে শেনিয়েকে গিলোটিনে হত্যা (১৭৯৪)
আবুকারের যুদ্ধে নেপোলিয়নের কাছে তুকীদের পরাজয় (১৭৯৯)
জর্জ স্টিফেনশনের প্রথম বাষ্পচালিত ইঞ্জিনের সাফল্যজনক কার্যকারিতা প্রদর্শন (১৮১৪)
অস্ট্রিয়া ও ইতালির মধ্যে প্রথম কুস্তোৎসার যুদ্ধ সংঘটিত (১৮৪৮)
অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর ডঃ এঙ্গোলবের্ট ডলফুস আততায়ীর হাতে নিহত (১৯৩৪)
ইতালিতে একনায়ক মুসোলিনির পতন (১৯৪৩)
পশ্চিমা দেশগুলোতে ব্রাসেলস চুক্তি কার্যকর (১৯৪৮)
মওলানা ভাসানীর ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ গঠন (১৯৫৭)
তিউনিশিয়া প্রজাতন্ত্রে পরিণত (১৯৫৭)
৪৬ বছরের বৈরীতার অবসান ঘটিয়ে ইসরাইল ও জর্দানের মধ্যে মৈত্রী স্বাক্ষর (১৯৯৪)
বিশ্বে প্রথম কনকর্ড বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১১৩ জন নিহত (২০০০)

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2017 bnewsbd24.Com
Design & Developed BY Md Taher