রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২০, ০২:২৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
টাঙ্গাইলে সিমেন্টের ট্রাক উল্টে বস্তার নিচে চাপা পড়ে ৬ যাত্রী নিহত মাস্ক না পরায় বয়স্কদের কান ধরানো যশোরের সেই সহকারী কমিশনার প্রত্যাহার কক্সবাজারে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৪ নতুন করে করোনার সংক্রমণ নেই, আরও চারজন সুস্থ: আইইডিসিআর করোনা চিকিৎসায় হাসপাতাল তৈরির ঘোষণার পর এলাকাবাসীর বিক্ষোভ-ভাঙচুর ছুটি চলাকালে মেয়াদোত্তীর্ণ যানের ফিটনেস নবায়নে জরিমানা মওকুফ ভেন্টিলেশন সুবিধার অভাবে করোনা আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা বিশ্বে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর শতকরা ৭০ ভাগ ইউরোপে ভারতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৮৭৩, মৃত ১৯ করোনাভাইরাস: বিশ্বনেতাদের কারা আক্রান্ত, কারা নন
পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে দেশের সবচেয়ে বড় স্টিম টারবাইন স্থাপন

পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে দেশের সবচেয়ে বড় স্টিম টারবাইন স্থাপন

বি নিউজ : পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে দেশের সবচেয়ে বড় স্টিম টারবাইন স্থাপন করা হয়েছে। চলতি বছরের আগস্টে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে যাবে এর একটি ইউনিট। এখান থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ যোগ হবে জাতীয় গ্রিডে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই একটি ইউনিট থেকে ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। এতে বিদ্যুৎ উপাদনের খরচ বহুলাংশে কমে আসবে। বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিপিসিএল) সহকারী প্রকৌশলী মো. পিঞ্জুর রহমান বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্ল্যান্ট চালু করার জন্য দিন-রাত শ্রমিকরা কাজ করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে আমরা পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউনিট ১ এর টারবাইন বসিয়েছি। যেখান থেকে ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবে। বিসিপিসিএল’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী এসএম মেহেদী হাসান জানান, প্রথম ইউনিটের কাজ শেষ হয়েছে। আগামি আগস্টে এটি বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাবে। ইতোমধ্যে এই প্রকল্পের প্রথম টারবাইন বসানো হয়েছে এবং আরও একটি টারবাইন বসানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবরে কলাপাড়ার ধানখালীতে পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রাথমিক জ¦ালানি কয়লা ও দ্বিতীয় জ¦ালানি ডিজেল যথাক্রমে ইন্দোনেশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে ২৬৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উপাদনের লক্ষ্যে কাজ চলছে। ভবিষ্যতে আরও ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি (প্রা.) লিমিটেড বর্তমানে বাংলাদেশি ৮ হাজার ও ২ হাজার চাইনিজ শ্রমিক দিয়ে তিন শিফটে ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডের নিবার্হী প্রকৌশলী রেজওয়ান ইকবাল খান জানান, সিভিল কাজ প্রায় শেষ, ইউনিট-১ এর টারবাইন, জেনারেটর বসানো শেষ এবং বয়লার ইরেকশনের কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। চিমনি, কুলিং টাওয়ার এবং পানি পরিশোধনের কাজ চলমান রয়েছে। পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে প্রথম ইউনিট আগস্টে উৎপাদনে যাবে এবং ২য় ইউনিট ছয় মাস পরে উৎপাদনে যাবে। তিনি আরও জানান, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম নদীপথ। নদীতে পর্যাপ্ত ড্রাফট না থাকায় বড় ভেসেল এখানে আসতে পারছে না। ফলে লাইটার ভেসেলে করে কয়লা আনতে হয়। এতে করে খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ ড্রাফট বাড়াতে নদীতে ড্রেজিং কাজ শুরু করেছে। চীনা কোম্পানির ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনের নিবার্হী প্রকৌশলী অংজিজু জানান, বর্তমানে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৬০ শতাংশ কাজের অগ্রগতি হয়েছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2017 bnewsbd24.Com
Design & Developed BY Md Taher