মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০, ১১:২৪ পূর্বাহ্ন

এরশাদের বিরুদ্ধে মেজর মঞ্জুর হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ২৮ মার্চ

এরশাদের বিরুদ্ধে মেজর মঞ্জুর হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ২৮ মার্চ

বি নিউজ : সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদসহ তিন জনের বিরুদ্ধে মেজর জেনারেল এম এ মঞ্জুর হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামি ২৮ মার্চ দিন ধার্য করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত (অস্থায়ী) ঢাকার ১ম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এস এম প্রদীপ কুমার রায়ের আদালত সময় মঞ্জুর করে এ তারিখ ধার্য করেন। এদিন অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আবদুল কাহহার আকন্দ সময়ের আবেদন জানালে বিচারক তা মঞ্জুর করেছেন। ২০১৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি আদালতের তৎকালীন বিচারক খন্দকার হাসান মো. ফিরোজ সিআইডিকে অধিকতর তদন্ত করে ২২ এপ্রিলের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেলেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকা আসামিরা হলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, মেজর (অব.) কাজী এমদাদুল হক ও লে. কর্নেল (অব.) মোস্তফা কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া। ১৯৮১ সালের ১ জুন মেজর জেনারেল মঞ্জুরকে পুলিশ হেফাজত থেকে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে নিয়ে যাওয়ার পথে গুলি করে হত্যা করা হয়। ১৯৯৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি জেনারেল মঞ্জুরের বড় ভাই ব্যারিস্টার আবুল মনসুর আহমেদ বাদী হয়ে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় এ হত্যা মামলা দায়ের করেন। একই বছরের ১৫ জুলাই সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাহহার আকন্দ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ওই বছরের ১ মার্চ আসামি এমদাদুল হক, ১২ মার্চ মোহাম্মদ আবদুল লতিফ ও শামসুর রহমান এবং ১৮ জুন মোস্তফা কামালকে গ্রেফতার করা হয়। ওই বছরের ১১ জুন কারাগারে থাকা সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। মামলা দায়েরের ১৯ বছর পর মামলাটি শেষ পর্যায়ে পৌঁছালেও বিচারক বদলি হওয়ায় তা আবার পিছিয়ে যায়। ২০১৪ সালের ২২ জানুয়ারি এ মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বিচারক হোসনে আরা আকতার ওই বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি রায়ের জন্য দিন ধার্য করেছিলেন। কিন্তু রায়ের মাত্র ১৩ দিন আগে ২৯ জানুয়ারি তিনি পরিবর্তন হওয়ায় মামলাটির বিচারের দায়িত্ব পান দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা জজ হাসান মাহমুদ ফিরোজ। হাসান মাহমুদ ফিরোজের আগে গত ১৯ বছরে বিভিন্ন সময়ে ২২ জন বিচারক এ মামলাটিতে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মঞ্জুর হত্যা মামলায় মোট ৪৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ২০১২ সালের ২ অক্টোবর আত্মপক্ষ সমর্থন করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আদালতে লিখিত বক্তব্যও দাখিল করেন। এ মামলায় গ্রেফতার সকল আসামি জামিনে রয়েছেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2017 bnewsbd24.Com
Design & Developed BY Md Taher