সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২০, ০২:১৭ পূর্বাহ্ন

ইতিহাসে প্রতিদিন আজ (সোমবার) ৩১ ডিসেম্বর’২০১৮ (ব্যাংক হলিডে)

ইতিহাসে প্রতিদিন আজ (সোমবার) ৩১ ডিসেম্বর’২০১৮ (ব্যাংক হলিডে)

৩১ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপি ব্যাংক হলিডে। আন্তজাতিকভাবে ইংরেজি বছরের শেষ দিনটি ব্যাংক হলিডে হিসেবে গণ্য। বাংলাদেশে এদিনে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সকল তফসিলী ব্যাংকের লেনদেন বন্ধ থাকে। তবে লেনদেন বন্ধ থাকলেও ব্যাংকের অন্যান্য দাফতরিক-প্রশাসনিক কাজ চলে। এদিন ব্যাংকগুলো সারা বছরের লেনদেনের হিসাব এবং ব্যাংকিং কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে।

(মনি সিংহের মৃত্যু)
বিশিষ্ট কমিউনিষ্ট নেতা কমরেড মনি সিংহের আজ মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৯০ সালের এই দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৮৪ থেকে মৃত্যু পর্যন্ত অসুস্থতার কারণে শয্যাশায়ী অবস্থায় জীবনযাপন করলেও মার্কসবাদ-লেনিনবাদের প্রতি দৃঢ় আস্থাশীল ছিলেন। তার লেখা জীবন সংগ্রাম আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থে ফুটে উঠেছে মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি এবং তাদের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কমিউনিস্ট আন্দোলনের ভূমিকার কথা। মনিসিংহের জমিদার বংশে ১৯০১ সালের ২৮ জুন তার জন্ম। সুসংদুর্গাপুরে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে মাধ্যমিক শিক্ষার জন্যে চলে যান কলকাতায় । ১৯১৪ তে যোগ দেন অনুশীলন দলে। ১৯২৫-এ মার্কসবাদের দীক্ষা নিয়ে যোগ দেন কমিউনিস্ট পাটিতে। কারা নির্যাতন, হুলিয়া ইত্যাদি ভোগের পর ১৯৩৭-এ চলে আসেন সুসং দুর্গাপুরে। এলাকার কৃষকদের সংগঠিত করে টংক প্রথার বিরুদ্ধে জঙ্গি কৃষক আন্দোলন পরিচালনা করেন। ’৪৭-এ দেশ বিভাগের পর পূর্ব পাকিস্তানে কমিউনিস্ট আন্দোলনের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। সশস্ত্র জঙ্গি আন্দোলনের অপরাধে পাকিস্তান সরকার তার ওপর হুলিয়া জারি করে এবং তার সকল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করে। একটানা ২০ বছর হুলিয়া মাথায় নিয়ে কমিউনিস্ট পার্টি পরিচালনা করেন। ৬৭ তে আত্মগোপন অবস্থায় গ্রফতার হন। ছাড়া পান ৬৯-এ । একই বছর পুনরায় গ্রেফতার হয়ে ছাড়া পান মুক্তিযুদ্ধ শুরুর ক’দিন পর ৭১’র ৭ এপ্রিল। ১৯৭৩-এ প্রকাশ্য রাজনীতি শুরুর পর ৭৫-এ শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাকশালে অন্তর্ভুক্ত হন। ১৯৭৬-এ বহুদলীয় গণতন্ত্রের সুবাদে আবার প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসেন। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খালকাটা, নদী খনন জাতীয় সংস্কার কর্মসূচিতে সমর্থন দেন। ১৯৭৭এ সেনা বিদ্রোহে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেফতার হন। ১৯৭৮’র রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জেনারেল ওসমানীর পক্ষে এবং ৮১ তে অধ্যাপক মুজাফফর আহমদের পক্ষে প্রচারাভিযানে অংশ নেন। পরে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। আলীগ, ন্যাপ, কমিউনিষ্ট পার্টি, জাসদ প্রভৃতি দলকে নিয়ে ১৫ দলীয় জোট গঠনে উল্লেখযোগ্য অবদান ছিলো তার। ৮০ তে পার্টির তৃতীয় কংগ্রেসে দ্বিতীয়বার সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৮৪ থেকে শয্যাশায়ী অবস্থায় ছিলেন মৃত্যু পর্যন্ত ।

১৫১৪ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর প্রখ্যাত চিকিৎসক এবং এ্যানাটমিস্ট ড: এন্ড্রিয়াস ভেসালিয়াস বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে জন্মগ্রহণ করেন। চিকিৎসা শাস্ত্রে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গের কাজ চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে গবেষণার কারণে তিনি খ্যাতিমান হয়ে আছেন। এন্ড্রিয়াস ভেসালিয়াস একটি চিকিৎসক পরিবারে জন্ম নেন। তিনি প্যারিস এবং লুভিসে চিকিৎসা শাস্ত্রে অধ্যায়ন করেন এবং পাদুয়া থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। এ্যানাটমির উপর তার লেখা গবেষণাধর্মী বিখ্যাত বইয়ের নাম-ডি হিউম্যান কর্পোরিস ফ্যাবরিকা ” বা মানব দেহের কারখানা। ১৫৬৪ সালে ৫০ বছর বয়সে এন্ড্রিয়াস ভেসালিয়াস মৃত্যুবরণ করেন।

১৮২৭ খৃষ্টাব্দে ইংরেজ ফার্মাসিস্ট জন ওয়াকার প্রথম ম্যাচ আবিষ্কার করেন। কিন্তু জন ওয়াকারের আবিষ্কৃত দিয়াশলাই দিয়ে আগুন জ¦ালাতে বেশ কষ্ট হতো। তাছাড়া ঐ ম্যাচ ব্যবহারকারীদের জন্য নিরাপদ ছিল না। বিষয়টি নিয়ে বিশ্বের বহু বিজ্ঞানী গবেষণা করেন। পরে ১৮৫৫ সালে সুইডেনের মনীষি তোবকার ফসফরাস ও কার্বোহাইড্রেডের সমন্বয়ে ব্যবহারকারীদের জন্যে নিরাপদ ও তাপ সৃষ্টিকারী নতুন দিয়াশলাই আবিষ্কার করেন। তোবকারের আবিষ্কৃত দিয়াশলাই এখন সারা বিশ্বে প্রচলিত ।

১৮৭৫ সালের এই দিনে প্রাচ্যবিদ আর্থার ক্রিস্টেসেন ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি প্রাচ্যবিদ্যা বিশেষ করে ইরানের ইতিহাসের উপর ব্যাপক পড়াশুনা করেন। আর্থার ক্রিস্টেনসেন খুব ভালোভাবে ফার্সী ভাষা রপ্ত করেন। পরে তিনি ইরানী সাহিত্যে গবেষণার কাজ করেন ।তার লেখা অন্যতম গ্রন্থ হচ্ছে – সাসানীয় যুগে ইরান। আর্থার ক্রিস্টেনসেন ১৯৪৫ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৮৯ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত প্রজাতন্ত্রগুলোতে জাতীয়তাবাদী চেতনা চরমে ওঠার প্রেক্ষাপটে আযারবাইজান প্রজাতন্ত্রের জনগণ ইরানের সাথে একত্রিত হবার জন্যে আন্দোলন শুরু করে। উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে আজারবাইজান জারবাদী রাশিয়া এবং ইরানের মধ্যকার যুদ্ধের সময় দক্ষিণ ককেশীয় অপরাপর দেশগুলোর মতো ইরান থেকে পৃথক হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তারপরও অক্সাস বা আরস নদীর উত্তরাঞ্চলীয় আযারবাইজানিরা ইরানের ইতিহাস ও সংস্কৃতির সাথে তাদের সম্পর্ক বজায় রাখে। এভাবেই ১৯৮৯ সালে ইরানের সাথে একিভূত হবার জন্য আযারবাইজান প্রজাতন্ত্রের জনগণ ব্যাপক আন্দোলন শুরু করেছিল। এমনকি তাদের অনেকে প্রচন্ড শীতের মধ্যেও সীমান্তের অক্সাস নদী সাঁতরে ইরানে এসেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সোভিয়েত রাশিয়ার রেড আর্মি আযারবাইজানীদের এ আন্দোলন কঠোর হস্তে দমন করে ।

১৯৯৯ সালের এই দিনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলেৎসিন পদত্যাগ করেন এবং ভøাদিমির পুতিন তার স্থলাভিষিক্ত হন। বরিস ইয়েলেৎসিন কমিউনিস্ট পার্টির মহাসচিব থাকাকালীন সময়ে রুশ প্রেসিডেন্ট গর্ভাচেভের সংস্কার কর্মসূচীকে আরো ত্বরান্বিত করার দাবী জানান। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৮৭ সালে তাকে কমিউনিস্ট পার্টির মহাসচিব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। এর পর ১৯৯১ সালের জুন মাসে তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ইয়েলেৎসিনের সরকার ছিল পশ্চিমা সমর্থনপুষ্ট। তার সরকার আশা করেছিল পশ্চিমাদের আর্থিক সহায়তায় রাশিয়াকে অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে মুক্তি দেয়া সম্ভব হবে। কিন্তু পশ্চিমা দেশগুলো তাদের দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করায় ইয়েলেৎসিনের নীতি ব্যর্থ হয়।

সপ্তম হিজরীর তেশরা মহররম রাসুলে করীম (সা: ) তৎকালীন বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলোর রাজা ও স¤্রাটদের কাছে ইসলামের দাওয়াত দিয়ে চিঠি পাঠান। হুদাইবিয়া নামক স্থানে হযরত মুহাম্মাদ ( সা:)র সাথে মক্কার মুশরেকদের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা হুদাইবিয়ার সন্ধি নামে ইসলামের ইতিহাসে পরিচিত। হুদাইবিয়ার এ সন্ধির ফলে বিশ্বের বৃহৎ দেশগুলোসহ বিভিন্ন দেশে ইসলাম প্রচারের একটি সুযোগ সৃষ্টি হয়।। রাসুলে করিম (সা:) এ সময় রোম, ইরান, ইথিওপিয়া, বাহরাইন ও ইয়েমেনসহ বিশ্বের বৃহৎ দেশগুলোর কাছে ইসলামের দাওয়াত সম্বলিত ১২ থেকে ২৬ টি চিঠি পাঠান। রাসুলে খোদার চিঠি পেয়ে প্রতিটি দেশের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা হয়। ইসলামের প্রতি আহবান জানিয়ে ঐ চিঠি দেয়ার কয়েক বছর পর ইসলাম ধর্ম ব্যাপক বিস্তার লাভ করে ।

৪২৯ হিজরীর ৩ রা মহররম বিখ্যাত মুসলিম লেখক, কবি ও সাহিত্যিক ইবনে খালুফ জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলাতেই তিনি প্রথমে পবিত্র মক্কা এবং পরে বায়তুল মুকাদ্দাস সফর করেন। ইবনে খালুফ কৈশোরে কায়রো সফর করেন। তার এসব সফরের উদ্দেশ্য ছিল জ্ঞানার্জন করা। তিনি মাত্র ২৬ বছর বয়সে কায়রোর ওলামা সমাজে বিদ্যান ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি খুব ভালো আবৃত্তিকার ছিলেন। উল্লেখ্য খ্যাতিমান এই আরব কবি ও সাহিত্যিকের বহু রচনা বৈরুত ও দামেস্ক থেকে প্রকাশিত হয়েছিল ।

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে বিৃটেনের রানী কৃর্তক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান হিসাবে অনুমোদন দান (১৬০০)
রাশিয়ার যাজক রাসপুটিন নিহত (১৯১৬)
রুমানিয়ার রাজা দ্বিতীয় ক্যারোল পুত্রের সপক্ষে সিংহাসন ত্যাগ (১৯২৫)
স্তালিগ্রাদের লড়াইয়ে জার্মান বাহিনীর পরাজয় (১৯৪২)
ব্রুনাই’র স্বাধীনতা ঘোষণা (১৯৮৩)
পরমাণু, অনাক্রমণ, বিমান পরিবহন ও সংস্কৃতি বিষয়ে ভারত-পাকিস্তান চুক্তি স্বাক্ষর (১৯৮৮)
আমেরিকা কর্তৃক পানামা খাল পানামার কাছে হস্তান্তর (১৯৯৯)
জার্মানিতে বিশ্বের প্রথম ম্যাগনেটিক দ্রুততম ট্রেন (ঘণ্টায় ২৭০ মাইল গতি) এর যাত্রা শুরু (২০০২)

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2017 bnewsbd24.Com
Design & Developed BY Md Taher