রবিবার, ১০ নভেম্বর ২০১৯, ০৬:৫১ অপরাহ্ন

যৌথ সভার পর ২৬ অক্টোবর নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভার বিষয়ে সিদ্ধান্ত: ওবায়দুল কাদের

যৌথ সভার পর ২৬ অক্টোবর নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভার বিষয়ে সিদ্ধান্ত: ওবায়দুল কাদের

বি নিউজ : নির্বাচনকালীন সরকার কেমন হবে সে বিষয়ে আগামি ২৬ অক্টোবর আওয়ামী লীগের যৌথ সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বলে জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সেতুমন্ত্রী কাদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সব সিদ্ধান্ত হবে আগামি ২৬ অক্টোবর, সেদিন সন্ধ্যায় দলের ওয়ার্কিং কমিটি, উপদেষ্টা কমিটি ও পার্লামেন্টারি কমিটির যৌথ সভা থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগের দিন এক সংবাদ সম্মেলনে ইঙ্গিত দেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এবার মন্ত্রিসভার আকারে বড় কোনো পরিবর্তন নাও আনা হতে পারে। এ বিষয়ে কাদের বলেন, নেত্রীর সর্বশেষ ভাবনায় যৌক্তিকতা আছে। মন্ত্রিসভার সাইজ বড় ছোট ব্যাপার নয়, প্রতিবেশী দেশ ভারতেও একই অবস্থা। নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা এখন সংবিধানে নেই। বর্তমান ব্যবস্থায় ভোটের আগে সংসদ ভেঙে দেওয়ার প্রয়োজন হয় না, তবে তিন মাসের ক্ষণ গণনা শুরু হলে সংসদের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ থাকে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৩ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার অধীনে অপেক্ষাকৃত ছোট একটি মন্ত্রিসভা গঠন করেন; যার নাম দেওয়া হয় ‘সর্বদলীয় সরকার’। ওই মন্ত্রিসভায় আওয়ামী লীগের শরিক দলগুলোর নেতাদের নেওয়া হয়। স্বল্প পরিসরের ওই মন্ত্রিসভা সরকারের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে। বিএনপিকে সেই ‘সর্বদলীয়’ সরকারে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হলেও তারা প্রত্যাখ্যান করে। পরে তারা দশম সংসদ নির্বাচনও বর্জন করে। গত সোমবার গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এবারের নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভা নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নির্বাচনে আসতে চাইছিল না বলে তিনি মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন করে তাতে তখনকার বিরোধী দলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তখন তারা আসল না। বিরোধীদলে অন্য যারা ছিল, তাদেরকে নিয়ে আমি মন্ত্রিসভা গঠন করি। সেই মন্ত্রিসভা ছোট আকারে আমরা করেছিলাম, ইলেকশনটা আমরা সেভাবে করি। গতবারের সঙ্গে এবারের পরিস্থিতির পার্থক্য বোঝাতে গিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, দশম সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পরও তিনি প্রতিনিধিত্বশীল সব দলের প্রতিনিধি নিয়েই সরকার গঠন করেছেন। যেহেতু সব দলের প্রতিনিধি আছে, এখন জানি না এটা খুব প্রয়োজন আছে কি না। শেখ হাসিনা বলেন, মন্ত্রিসভা ছোট করা হলে একজনকে কয়েকটা মন্ত্রণালয় চালাতে হবে। সেক্ষেত্রে কোনো কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ দুই তিন মাসের জন্য থমকে যেতে পারে। এ বিষয়গুলোও ভাবতে হবে। সচিবালয়ের সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ওবায়দুল কাদের বলেন, গতবার আমাদের দেশে বিষয়টা ভিন্ন ছিল, মন্ত্রিসভার সাইজ ছোট হয়ে গিয়েছিল, ভিন্ন প্রেক্ষাপট ছিল, বিএনপিন নির্বাচনে অংশ গ্রহণের বিষয় ছিল, পার্লামেন্টে ছিল। এবার সাইজ ছোট হলেও দুই একজন যুক্ত হতে পারে, এ অবস্থায় থাকলেও দুই একজন যুক্ত হতে পারে। কোন দল থেকে নতুন মন্ত্রি আসতে পারে জানতে চাইলে কাদের বলেন, রুলিং পার্টি থেকে আসতে পারে, মেইন অপজিশন পার্টি থেকেও আসতে পারে। সম্ভবত মেইন অপজিশন পার্টি থেকে আসতে পারে। আমার ধারণা থেকে বলছি, গ্যারান্টি দিয়ে বলছি না। নির্বাচন সামনে রেখে বিরোধীরা যখন একজোট হচ্ছে, তখন মহাজোট সম্প্রসারণের কোনো উদ্যোগ আছে কি না তা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের কাছে জানতে চান সাংবাদিকরা। উত্তরে কাদের বলেন, ড. কামাল তার অবস্থান ব্যক্ত করেছেন, মেরুকরণটা কোথায় গিয়ে ঠেকেৃ এখনতো অনেকগুলো জোট হয়ে গেছে। জোটের মেলা দেখতি পাচ্ছি, জোট তারকাদের মেলা দেখতে পাচ্ছি। জনতার কতটা সমর্থন আছে এটি বিষয় নয়, আমি নেতা আমার সিল প্যাড থাকলেও তো দল। আগামী কয়েক দিনের ভেতরে অনেক কিছুই স্পষ্ট হবে মন্তব্য করে কাদের বলেন, কাউকে কটাক্ষ করছি না, তাদের আরও মেলা সামনের দিকে দেখতে পাবেন। এগুলো দেখেই সামনের দিনে চিন্তাভাবনা করব। আমাদের ১৪ দলীয় জোট অনেক আগে থেকেই সক্রিয়, জাতীয় পার্টির সাথেও সমঝোতা আছে। বিএনপি নির্বাচন না করলে জাতীয় পার্টি তো আবার ৩০০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। তখন আমাদের তো আর জোট করার প্রশ্ন আসে না। মেরুকরণটা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তার উপর নির্ভর করবে অ্যালায়ান্সের সমীকরণ কীভাবে করতে হবে। এদিকে, সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে কটূক্তির মামলায় সাবেক সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা মইনুল হোসেনের গ্রেফতার হওয়া ‘জরুরি ছিল’ বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, মইনুলকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে মামলার কারণে, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে তার সংশ্লিষ্টতা এখানে কোনো বিষয় নয়। এখানে কোনো জোটের বিষয় নয়, ব্যক্তির অপরাধের বিষয়। এটি একটি অপরাধ, তিনি নারী সাংবাদিককে যেভাবে অ্যাবিউজ করেছে, কোনো মার্জিত সুশীল ব্যক্তির পক্ষে কি সম্ভব এ ধরনের আচারণ করা? সাংবাদিকরাই তো কনডেম করেছেন। কাদের বলেন, এখন তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, সেখানে গ্রেফতার করাটাই জরুরি ছিল এবং পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। সম্প্রতি এক টেলিভিশন আলোচনা অনুষ্ঠানে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে ‘চরিত্রহীন’ বলার পর থেকে সমালোচনার মুখে রয়েছেন মইনুল। পরে তিনি টেলিফোন করে ক্ষমা চাইলেও মাসুদা ভাট্টি প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। তা না করায় মইনুলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন মাসুদা ভাট্টি। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে মানহানির অভিযোগে কয়েকটি মামলা হয়। এর মধ্যে রংপুরের একটি মামলায় গত সোমবার রাতে ঢাকার উত্তরা থেকে মইনুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে কামাল হোসেনের উদ্যোগে বিএনপিকে নিয়ে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে সক্রিয় আছেন ব্যরিস্টার মইনুল। রবসহ ফ্রন্টের বিভিন্ন নেতার বাড়িতে বৈঠকে তার নিয়মিত যাতায়াত। গত সোমবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনেও মইনুলের কটূক্তির আলোচনা হয়। তখন শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা প্রতিবাদ করেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যা করার করবে। আপনারা মামলা করেন, আমরা যা করার করব। মইনুলকে গ্রেফতারের পক্ষে যুক্তি দিয়ে কাদের বলেন, যে ঘটনা ঘটেছে তার পুরনাবৃত্তি রোধেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের অপরাধ করে পার পেয়ে গেলে এ ধরনের আরও অপরাধ করতে পারে। যাকে তাকে অশোভন অমার্জিত একটা ভালগার অবসিনিটি পর্যায়ে এমন গালি দিতে পারে, সেটার পুনরাবৃত্তি রোধে এটি করা হয়েছে। ঐক্য ফ্রন্টের তিনি নব্য নেতা- এসব ভেবে এটা করা হয়নি। ব্যক্তি হিসেবে যে অপরাধ, এ ধরনের বক্তব্যর কারণে, তার জন্যই তাকে গ্রেফতার করতে হবে। ঐক্যফ্রন্ট নিয়ে আওয়ামী লীগের কোনো উদ্বেগ বা আশঙ্কা রয়েছে কিনা- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে ক্ষমতাসীন দলটির সাধারণ সম্পাদক বলেন, ঐক্যফ্রন্ট নিয়ে কোনো উদ্বেগ বা শঙ্কা নেই। প্রধানমন্ত্রী তো স্বাগত জানিয়েছেন, মইনুল হোসেনকে ব্যক্তিগত অপরাধের কারণে গ্রেফতার করা হয়েছে। হঠাৎ করে এসে তার রাজনীতির খায়েস হয়েছে, যাকে তাকে গালি দেবেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে কিনা- এ প্রশ্নে কাদের বলেন, নির্বাচনের আগে সংশোধনের সুযোগ নেই, আইনের অপপ্রয়োগ যাতে না হয় সে বিষয়টি লক্ষ্য রাখব। সাংবাদিকদের জন্য এ আইন করা হয়নি। যদি আপনি কোনো অপরাধ না করেন, তাহলে ভয় কিসের? সড়ক পরিবহন আইনের কয়েকটি ধারা পরিবর্তনের দাবিতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন ২৮ অক্টোবর থেকে সারা দেশে ৪৮ ঘণ্টার কর্মবিরতির যে ঘোষণা দিয়েছে সে বিষয়েও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী কাদেরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সাংবাদিকরা। জবাবে তিনি বলেন, এ সরকারের আমালে আইন সংশোধনের প্রশ্নই ওঠে না। আমাদের হাতে দিন আছে মাত্র দুটি। দুদিন পরেই সংসদ অধিবেশনের সমাপ্তি, এটা শেষ অধিবেশন। কাজেই এ সময়ে এটা আর সংশোধনের কোনো সুযোগ নেই। তারা যে দাবি-দাওয়া করছেন, সেগুলো, তাদের সাথে আলাপ-আলোচনা করেই কিন্তু এ আইনটা হয়েছে। তিন বছর ধরে এ আইন নিয়ে অনেক আলাপ-আলোচনা, ওয়েবসাইটে দেওয়া, সব কিছুই হয়েছে। আমি তাদেরকে অনুরোধ করেছি প্রত্যাহার করুন। সংবাদ সম্মেলনে সড়ক নিরাপত্তা আইন সংশোধনের আপাতত কোনো সুযোগ নেই বলে জানান ওবায়দুল কাদের। সংবাদ সম্মেলনে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচনকালীন সরকারের মন্ত্রিসভা, আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচন, পরিবহন শ্রমিকদের আন্দোলনসহ বিভিন্ন বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন সেতুমন্ত্রী। পরিবহন শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, এই আইনটি পাস করার আগে তিন বছর ধরে পরিবহন মালিক, শ্রমিক, বিশেষজ্ঞ ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করা হয়েছে। হুট করেই এ আইনটি করা হয়নি। কাজেই বর্তমানে এ আইন সংশোধনের সময় ও সুযোগ কোনোটাই নেই। পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সরকার সম্প্রতি সড়ক নিরাপত্তা আইন নামে একটি আইন পাস করে। এ আইনে গাড়ির চালক, শ্রমিক ও মালিকদের বিভিন্ন অনিয়মের জন্য বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও জরিমানার কথা বলা হয়েছে। আইনটি পাস হওয়ার পর থেকে পরিবহন শ্রমিকরা আন্দোলন করে আসছে। তারা আইনটি সংশোধন করে সাজার মেয়াদ কমানোর দাবি জানায়। পরিবহন শ্রমিকদের আন্দোলনের যাত্রীদের দুর্ভোগ হচ্ছে। এ অবস্থায় সরকার তাদের দাবি মেনে নেবে কি না? জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, পরিবহন শ্রমিক, মালিক ও যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই সরকার এ আইনটি করেছে। আগামি নির্বাচনের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন হবে, এটা শতভাগ নিশ্চিত। সেই নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে। বিএনপি নেতারাই বলেছেন, নির্বাচনের এবং আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাঁরা। বিএনপিকে আমরা দুর্বল মনে করছি না। বিএনপি শক্ত প্রতিপক্ষ। সংসদ বহাল থাকা অবস্থায় মন্ত্রী-এমপিরা নির্বাচনী প্রচারণায় সরকারি নিরাপত্তা ও অতিরিক্ত সুবিধা পাবে, অন্যদিকে গায়েবি মামলার শিকার হচ্ছেন বিএনপি নেতারা। এতে নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হবে কি না প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনের সময় সবাই নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলবে। প্রচারণায় সরকারি দল যে সুযোগ-সুবিধা পাবে, বিরোধীদলও সেই সুযোগ-সুবিধা পাবে। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের কোনো ব্যত্যয় হবে না। মন্ত্রীরা নিরাপত্তাজনিত কিছু বাড়তি সুবিধা পাবেন। তবে নির্বাচনী এলাকায় সার্কিট হাউস ব্যবহার করতে পারবেন না। নির্বাচন কমিশনে কমিশনারদের মতবিরোধ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এটা বিউটি অব ডেমোক্রেসি। পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশনে মতবিরোধ থাকতেই পারে। এটা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ নয় যে এক সদস্য ভেটো দিলে সিদ্ধান্ত কার্যকর হয় না। নির্বাচন নিয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সংশয়মূলক বক্তব্যের ব্যাপারে ওবায়দুল কাদের বলেন, এরশাদের এই বক্তব্য তাঁর নিজস্ব। তিনি অসুস্থ অবস্থায় সিএমএইচে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2017 bnewsbd24.Com
Design & Developed BY Md Taher