বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম ::
করোনায় মৃতের সংখ্যা পাঁচ হাজার ছাড়াল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত লাখ লাখ কৃষককে বিনামূল্যে বীজ-সার দেয়ার উদ্যোগ অবৈধভাবে বসবাসকারী শত শত বিদেশীর তালিকা করে আটকের চেষ্টা করছে পুলিশ ত্রাণ তহবিলের জন্য ১৬৫ কোটি টাকা অনুদান গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী বিএনপির আন্দোলনের গর্জনই শুধু শোনা যায়, বর্ষণ দেখা যায় না : ওবায়দুল কাদের দেশে করোনায় আরো ২৬ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৫৪৪ ওয়াসার এমডিকে পুনরায় নিয়োগ না দেয়ার আহ্বান ক্যাবের শীতে করোনা পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে, প্রস্তুতি নিন: প্রধানমন্ত্রী মসজিদে বিস্ফোরণ : বিদ্যুৎ মিস্ত্রিকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি টানা লোকসান এড়াতে বন্ধ করে দেয়া হতে পারে দেশের চিনিকলগুলো

শোকাবহ আগস্ট-১০

বি নিউজ : শোকাবহ আগষ্ট মাসের দশম দিন আজ। ১৯৭৫ সালের এ দিনেও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের আপামর তরুণ সমাজের হৃদয়ের প্রতিধ্বনি। কেননাÑ বিশ্ব কবি রবিন্দ্র না- ঠাকুরের সেই অমর পংক্তি ‘ঐ নতুনের কেতন উড়ে কালবৈশাখী জড়, তোরা সব জয়ধ্বনি কর, ওরে তোরা সব জয়ধ্বনি কর’- তিনিও সেই মন্ত্রেই দিক্ষীত ছিলেন। তাি আমৃত্যু তিনি তারুণ্যেরই জয়ধ্বনিই করে গেছেন। অবশ্য তিনি নিজেও ছিলেন এক আজন্ম তরুণ।
প্রকৃতপক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অমর কবিতাÑ ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণেও সেই সময়ের যুব সমাজের প্রাণের ধ্বনিই তিনি প্রতিধ্বনিত করেছিলেন। তাইতো বঙ্গবন্ধুর সে সময়ের ঘনিষ্ঠ সহচরদের মধ্যে দুই চারজন ছাড়া বাকি সবাই ছিলেন বয়সে তরুণ। তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতা আবদুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল হক মনি, আবদুল কুদ্দুস মাখন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধুর অত্যন্ত আহ্লালভাজন ছিলেন। তখনকার ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ, ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়নসহ প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলো বঙ্গবন্ধুর নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলতো। শুধু তাই নয়, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারীরা অধিকাংশই বয়সে তরুণ ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ও দিকনির্দেশনায় এই তরুণগোষ্ঠীই আমাদের স্বাধীনতাকে ত্বরানি¦ত করেছিল।
মূলত: বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের অবিস্মরণীয় এক কীর্তিও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ। তেজদীপ্ত এ ভাষণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের মূল ভিত্তিই শুধু নয়, এই ভাষণ পৃথিবীর ইতিহাসে সারাজীবন এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচরদের সূত্রে জানা যায়, এই ঐতিহাসিক ভাষণ তিনি আকস্মিকভাবে দেননি; বুঝেশুনে চিন্তা করে তিনি এ ভাষণ দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু ভাবতেন তরুণ যুব সমাজ ছাড়া স্বাধীনতা আন্দোলন যেমন গড়ে তোলা সম্ভব নয়; ঠিক তেমনি যুব সম্প্রদায় ছাড়া স্বাধীনতা রক্ষা করাও অসম্ভব।
বাংলাদেশের ইতিহাস বিকৃতির ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পরবর্তী সরকারগুলো ইতিহাসের এ জ্বলন্ত অধ্যায়কেও মুছে ফেলার চেষ্টা চালিয়েছে। কিন্তু তাদের ইতিহাস বিকৃতির সেই অপচেষ্টা ধুপে টিকেনি। সময়ের ব্যবধানে নতুন প্রজন্ম প্রকৃত ইতিহাস জানে নিয়েছে। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চে দেয়া বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণে স্বাধীনতার যে মূল মন্ত্র, চেতনা ও দিক-নির্দেশনা প্রজ্বলিত ছিল তা নতুন করে উপলব্ধির সময় এসেছে। বর্তমান মহাজোট সরকার এই শোকের মাসে বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ-তিতিক্ষার ও সংগ্রামের সেই চেতনাকে সর্বত্র ছড়িয়ে দেবে সেটাই এখন দেশবাসীর প্রত্যাশা।ৃ

শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018-20
Design & Developed BY Md Taher